One unique Identity Card for All purpose
Subhasis Dutta
সমস্ত উদ্দেশ্যে ব্যবহার যোগ্য একটি অদ্বিতীয়পরিচয় পত্র
শুভাশিস দত্ত
Email: sduttamail@gmail.com
Mobile & WhatsApp : 9434110862 © SUBHASIS DUTTA
ভূমিকা : আমাদের দেশে অনেক গুল আইডি কার্ড চালু আছে । সেগুলোর গুরুত্ব নিশ্চয় আছে । কিন্তু দেশের ও আমাদের অনেক সমস্যা হয় । দুর্নীতি সম্ভবনা বেড়ে যায় । সরকারেরও কাজ বেড়ে যায় । কেউ পাসপোর্ট করতে চাই । তখন তার আবার আইডেন্টিটি যাচাই করতে হয় । আমরা মাঝে মাঝেই দেখি জাল পাসপোর্ট খবর । লোকের ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ বাড়ে । সরকার তার জনগণের আর্থ সামাজিক সমীক্ষা করতে পারেনা ঠিকমত । যেমন ধরুন কেউ একটা দ্বিচক্র যান কিনেছেন , তিনি সেটা তার আর্থ সামাজিক সমীক্ষককে বললেন না । ফলে আর্থ সামাজিক সমীক্ষা সঠিক হল না । কিন্তু যদি এটা যখন কিনলেন তখন তার অদ্বিতীয়পরিচয় পত্র বাধ্যতামুলক করা হয় এবং দ্বিচক্র যান লিপিবদ্ধ করার সময় পুনরাই ভেরিফিকেসন করা হয় । সেই সঙ্গে ঐ অদ্বিতীয়পরিচয় পত্র টিতে ঐ দ্বিচক্র যান লিপিবদ্ধ করা হয় কোন সয়ংক্রিয় ইলেট্রনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে । সেক্ষেত্রে আর্থ সামাজিক সমীক্ষককে না বলতে পারবেন না । আমার নয় এর দিন চলে যাবে । ফলে আর্থ সামাজিক সমীক্ষা আরো সঠিক হবে । এর সঙ্গে সমস্ত লেনদেনে যদি অদ্বিতীয়পরিচয় পত্র বাধ্যতামুলক করা হয় তবে আর্থ সামাজিক সমীক্ষা আর করানোর দরকার হবে না । এবং নির্ভুল হবে । এখানে যদি সকলের সমস্ত তথ্য তুলেনেওয়া যায় তবে অনেক কাজ সহজ হয়ে যাবে , যেমন যদি জাতি ও বার্ষিক আয় এর তথ্য একবার লিপিবদ্ধ করা যায় তবে তপঃ জাতি ও উপজাতি শংসাপত্র দেওয়ার ব্যাপার টা থাকবে না । যদি বয়স ও ঠিকানা ( NRC ব্যাপারটাই পরে বলছি ) থাকে তো ভোটার তালিকা আর অনেক সহজেই নির্ভুল পাওয়া যাবে । ভোটার তালিকায় নাম তোলা বাদ দেওয়া টা সয়ংক্রিয় ভাবে হবে এবং নির্ভুল হবে । সরকারের অনেক খরচ কমে যাবে । আবার একই ব্যাক্তি দৈত্ব সত্বা নিতে পারে যেমন যদি কোন ব্যাক্তি এপিক কার্ড আর ইলেকট্রিক বিল দিয়ে একটা ব্যাংক একাউন্ট খুলল । এরপর যদি ঐ ব্যাক্তি আধার কার্ড আর টেলিফোন বিল দিয়ে অন্য একটা ব্যাংক একাউন্ট খুলল । এর ফলে রাস্ট্র সরকারের পক্ষে ঐ দুই একাউন্ট এক ব্যাক্তির এটা আইডেন্টিফাই প্রায় অসম্ভব ।
সমস্যা কোথায় : সুবিশাল আমাদের দেশে । বিভিন্ন কাজে তথ্যপ্রযুক্তি তথা কম্পিউটার ব্যবহার হচ্ছে । কিন্তু দপ্তর গুলির মধ্যে আইন গত যোগাযোগ থাকলেও প্রযুক্তিগত যোগাযোগ খুবই কম ।
সমাধান মডেল : এখন প্রাথমিক ভাবে জনগণনা , আর্থ সামাজিক সমীক্ষা , ভোটার তালিকা কি ভাবে সুন্দর ভাবে , নির্ভুল , সহজে প্রবাহমান ভাবে কার্যকরী হতে পারে তার মডেল নিয়ে আলোচনা করছি । তারপর অন্যান্য বিষয় গুলি এই মডেল এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবে সেটা আলচনা করবো ।
প্রথম ধাপ : সকলকে "সমস্ত উদ্দেশ্যে ব্যবহার যোগ্য একটি অদ্বিতীয়পরিচয় পত্র" প্রদান করতে হবে । এখানে বলে রাখা ভাল অদ্বিতীয় হতে হলে সবথেকে ভাল বায়মেট্রিক কার্ড । যেমন আমাদের আধার কার্ড । সকলকেই দিতে হবে । এই কার্ড তৈরী , সংশোধন ব্যবস্থা রাস্ট্র সরকার কে করতে হবে । কার্ডের বিনাশের ব্যবস্থাও ( মৃত্যুর পর ) রাস্ট্র সরকারকে করতে হবে । সেই রকম জম্নের সময়ই সেই শিশুটির উক্ত কার্ড পাওয়ার ব্যবস্থা রাষ্ট্র সরকারকে করতে হবে ।
দ্বিতীয় ধাপ : এই কার্ড গুলির সংরক্ষণ এর জন্য একটি উপযুক্ত ডাটাবেস নির্বাচন করতে হবে । এই ডাটাবেসের আমাদের মত সুবৃহৎ দেশের সকলের বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ এর উপযোগী হতে হবে । সঙ্গে সুরক্ষা ব্যবস্থা যথেষ্ট পরিমানে থাকে ।
তৃতীয় ধাপ : সকল কে এই কার্ড দেওয়া সুনিশ্চিত করতে হবে । তার জন্য প্রথম দিকে অনেক বেশী পরিমানে অর্থ ও ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন ।
চতুর্থ ধাপ : সর্ব সাধারনের কাছে এর তালিকা সুলভে প্রাপ্তি সাধ্য হতে হবে । এর ব্যবস্থা রাষ্ট্র সরকারকেই করতে হবে ।
পঞ্চম ধাপ : সকল কে এর উপর সংযোজন ও বিয়োজনের সুযোগ দিতে হবে । এক্ষেত্রে রাষ্ট্র সরকারকে যেমন সুযোগ দিতে হবে তেমন গুরুত্ব দিতে হবে । যাতে সঠিক তথ্যই কেবল মাত্র সংরক্ষিত হয় ।
ষষ্ঠ ধাপ : এরপর এই কার্ডকে বাধ্যতামুলক করতে হবে । এই ভাবে নয় যে কার্ড নেই আপনি পরিষেবা ( যেমন রেশন , পাসপোর্ট ... ) পাবেন না । আপনাকে এখানেই কার্ড করে দেওয়া হল । ও পরিষেবা দেওয়া হল । এই ব্যবস্থা অনেক যায়গায় রাখতে হবে । রাষ্ট্র কোন নাগরিককে কার্ড দিতে বাধ্য যেমন থাকবে । সেই রকম নাগরিক ও কার্ড করিতে বাধ্য থাকবে ।
সপ্তম ধাপ: এরপর সমস্ত জিনিস ই এই কার্ডে অন্তরভুক্ত করতে হবে । যেমন ,
১। সমস্ত গাড়ি রেজিস্ট্রেশানে মালিকের কার্ড নং দেওয়া হল । এর ফলে খুব সহজেই বোঝা যাবে কার কার গাড়ি আছে ।
২। সমস্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কার্ড নং দেওয়া হল । এর ফলে সহজেই বোঝা যাবে কার কত সম্পদ ।
৩। সমস্ত মোবাইলে কার্ড নং দেওয়া হল । এর ফলে কেও OTP র জন্য ফোন করবে না । কারন সে তো ধরা পড়ে যাবে ।
ইত্যাদি ইত্যাদি' ইত্যাদি
অস্টম ধাপ : এই কাজ গুলি সম্পন্ন করতে হবে ও ধারাবাহিক ভাবে চালাতে হবে । এর ফলে সমস্ত তথ্য সঠিক ও পরিপূর্ণ হতে থাকবে ।
নবম ধাপ : এর ফলে আমরা কিছু তথ্য সহজেই পেতে পারি ও তার সুযোগ নিতে পারি ।
১। ভোটার লিস্ট : কোণ একটি মৌজা তে ১৮ বছরের বেশী নাগরিক এর তালিকা । এর ফলে নির্বাচন কমিসন এর অনেক কাজ কমে যাবে । এবং আরো সঠিক লিস্ট হবে । যেমন ধরাযাক এক ব্যাক্তি মারা গিয়েছেন । তার পরিবার কেন ৭ নং দিয়ে ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ দিতে যাবে । কিন্তু এক্ষেত্রে ডেথ সার্টিফিকেট নেওয়ার সময় ই সেই নাম বাদ চলে যাবে । কার নামের সঠিক বানান বা সঠিক জম্ন তারিখের আরো সঠিক হওয়ার নিশ্চয়তা দেয় ।
দশম ধাপ : এই মডেল চালনার ফলে যে সমস্ত ভূল ত্রুটি ধরা পরবে সেগুলকে পর্যালোচনার মাধ্যমে ত্রুটি মুক্ত করতে হবে ।
সমাপ্ত ।
শুভাশিস দত্ত
বোলপুর , বীরভূম
Email: sduttamail@gmail.com
Mobile & WhatsApp : 9434110862
No comments:
Post a Comment